মোংলার জয়মনিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত ১
১৭ জুন (বুধবার) শেলা নদীর লঞ্চঘাট চর এলাকায় মাছ ধরার সময় কুমিরের আক্রমণে সেলিমা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত সেলিনার বাড়ি মোংলা থানার চিলা ইউনিয়ন জায়মনি গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে । আনুমানিক সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। তবে আক্রমণ চলাকালীন সাথে থাকা অপর দুই নারীর সাহসিকতা ও তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের কারণে কুমিরটি শেষ পর্যন্ত সেলিমা বেগমকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সেলিনার স্বামীর নাম আব্দুল্লাহ শেখ তার পরিবারের রয়েছে তিন সন্তান। নিহত সেলিমা বেগম প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শেলা নদীর লঞ্চঘাট সংলগ্ন চর এলাকায় মাছ ধরছিলেন। তাঁর সঙ্গে ফাতেমা বেগম(৫৩) ও রোজিনা বেগম(৫৬) নামের আরও দুই নারী মাছ ধরছিলেন। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ একটি বিশাল আকৃতির কুমির নদী থেকে উঠে এসে সেলিমা বেগমের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং তাঁকে টেনে পানিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সহকর্মীকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে ফাতেমা বেগম ও রোজিনা বেগম নিজেদের জীবনের তোয়াক্কা না করে কুমিরটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁরা হাতের কাছে থাকা লাঠি ও নৌকার বৈঠা দিয়ে কুমিরটিকে ক্রমাগত আঘাত করতে থাকেন। দুই নারীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে একপর্যায়ে কুমিরটি সেলিমা বেগমকে ছেড়ে দিয়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্রামবাসী কুমিরের কবল থেকে সেলিমা বেগমকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহত সেলিনার পরিবারে তিন ছেলে মেয়ে ও স্বামী আব্দুল্লাহ শেখ ও তাঁর আত্মীয়-স্বজনের এলাকাবাসী ভিতর গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জেলে ও তীরবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র কুমির-আতঙ্ক বিরাজ করছে।সন্ধ্যার পর বা রাতে নদীতে নামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হরিণ শিকারের ৫০ ফুট মালাফাঁদ জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে বন বিভাগ
মোঃ কারিমুল ইসলাম মোংলা প্রতিনিধি :
সুন্দরবনের আন্ধারমানিক ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র সংলগ্ন বড় হেতালমারি খাল এলাকার বনাঞ্চল থেকে হরিণ শিকারের বিপুল পরিমাণ ফাঁদ জব্দ করেছে বন বিভাগ।
আজ বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় এই ফাঁদগুলো উদ্ধার করা হয়।
চাঁদপাই ফরেস্ট রেঞ্জ সহকারি কর্মকর্তা মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা দ্বীপন চন্দ্র দাস এর নির্দেশে মোতাবেক, বন্যপ্রাণী নিধন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আজ সকালে আন্ধারমানিক ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের বড় হেতালমারি খাল এলাকায় বনরক্ষীরা পায়ে হেঁটে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। টহল চলাকালীন বনের গভীর থেকে শিকারীদের পেতে রাখা আনুমানিক ৫০ ফুট দীর্ঘ হরিণ শিকারের মালাফাঁদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণী শিকারের এই ক্ষতিকারক ফাঁদগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চাঁদপাই রেঞ্জ অফিসে এনে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো শিকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারীরা বনের গভীরে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বন্যপ্রাণী ও সুন্দরবনের সুরক্ষায় বন বিভাগের এই কঠোর অভিযান ও নিয়মিত টহল অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছে চিলা ইউনিয়ন সিপিপি।
সিপিপি চিলা ইউনিয়ান এর পক্ষ থেকে মোঃ কারিমুল ইসলাম(সজল) বললেন ,'প্রিয় চিলা ইউনিয়ন বাসী, আসসালামু আলাইকুম। ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে চিলা ৭নং ইউনিট সিপিপি।
‘প্রিয় জয়মনি বাসী, আসসালামু আলাইকুম। বছর ঘুরে আমাদের মাঝে আবার এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। করোনাভাইরাসের মহামারীর এই দুঃসময়ে সকল আঁধার কাটিয়ে ঈদুল আজহা আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ।""
সিপিপি পক্ষ থেকে বলেন", আসুন, কোরবানির ত্যাগের মহীমায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি।
আমি ও আমরা সকল জয়মনি বাসি ভাইবোনকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাই। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
আমরা সকল দূর্যোগ কালীন সমায় আপনাদের পাসে আছি এবং থাকবো এই আসা রেখে আবারও বলি , ‘সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন, ""ঈদ মোবারক।’""
জয়মনিবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে সিপিপি চিলা ৭নং ইউনিট।
প্রজন্ম ২০০১ এর উদ্যোগে শিক্ষা উপকরন, চিকিৎসা সামগ্রী ও শীত বস্র বিতরন।
সকালে সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অসহায় গরীব চার শতাধিক শিক্ষাথীদের মাঝে প্রজন্ম খাতা,কলম,পেন্সিল,পেস্ট, ব্রাশ,খাবার স্যালায়ন,বিস্কুট,চিপস ও কম্বল ইত্যাদি দেয়া হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন, ইউপি সদস্য সহ মোংলা নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হোসেন শরীফ ও এলাকার গন্যমান্য বাক্তিবর্গ ও প্রজন্ম ২০০১ এর শওকত মন্জুর শান্ত,মাহমুদ রুবেল,আবদুর রহমান শেখ,ফাহিম আদি,ঝহিরুল ইসলাম,কাজী জামাল,মুশফিকুর রহমান,নাজমুল শাহাদাৎ নাজিম ও জাহিদ পাটোয়ারী থেকে ওই সব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। পরে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার হার বাড়াতে একটি জরিপ এর ফলাফল সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়। ওই সময় বাল্য বিবাহ রোধে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় প্রজন্ম ২০০১ এর প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক সওকত মন্জুর শান্ত বলেন,তাদের সংগঠনটি মানবতার জন্য কাজ করে যাবে। এর অংশ হিসেবে জয়মনি এাণ বিতরন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার আগ্রহ সৃষ্টি,স্বাস্থ্য সচেতনতা,বাল্য বিবাহের ক্ষতিকারক দিক জাগিয়ে তোলা হচ্ছে প্রজম্ন চ্যারিটি ক্লাবের মুল উদ্যেশ্য।
থেমে থেমে বৃষ্টি তবুও আভাব মিটছেনা সুপেয় পানির।
About
Follow Us
Popular Posts
-
১৭ জুন (বুধবার) শেলা নদীর লঞ্চঘাট চর এলাকায় মাছ ধরার সময় কুমিরের আক্রমণে সেলিমা বেগম (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত সেলিনার বাড়ি মোংল...







