Advertise

Facebook

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Random Posts

3/random/post-list

Most Popular

হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন? আপনিও পারেন জীবন বাচাতে সাহায্য করতে, জেনে নিন পদ্ধতি।
fun videos
গ্রিন সিগন্যাল’ পেয়ে রাজনীতির মাঠে নায়ক শাকিল খাঁন
দৈনিক জাগ্রত বাংলার সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা
শনিবার ঢাবিতে ‘৭ মার্চ ভবন’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
 ভেজাল দুধ চেনার সহজ  উপায়-
ডিমলায় স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে ঢাকতে ইউএনও সামনে কনে সাজলো ভাবী
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জয়মনিবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে সিপিপি চিলা ৭নং ইউনিট।
বহুল আলোচিত কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজের সময়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

হারবাড়িয়া ইকোট্যুরিজক কেন্দ্র সবচেয়ে বড় সুন্দরবন দেখার যায়গা।

৯:১৪ AM 0 Comments A+ a-

শেখ রাফসান মংলা প্রতিনিধি :সুন্দারনের চাঁদপাই রেঞ্জের অধীন বনবিভাগের উদ্যোগে গড়ে তোলা হাড়বাড়িয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র। খুলনা থেকে ৭০ কিলোমিটার এবং মংলা বন্দর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এই কেন্দ্রে অবস্থান।
একদিনের ভ্রমণে যারা সুন্দরবন দেখতে চান তাদের জন্য আদর্শ জায়গা হাড়বাড়িয়া।
সুন্দরবনের হাড়বাড়িয়া টহল ফাঁড়ির পাশেই ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র। এর সামনের খালটি কুমিরের অভয়ারণ্য। প্রায়ই লোনা পানির কুমির দেখা যায় এই খালের চরে। তবে কুমির দেখার ভালো সময় ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি। এই সময়ে রোদ পোহাতে কুমিরগুলো খালের চরে শুয়ে থাকে।
হাড়বাড়িয়ায় সুন্দরনের বিরল মায়া হরিণেরও দেখা মেলে। এখানকার ছোট ছোট খালগুলোতে আছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙাসহ নানান জাতের পাখি। হাড়বাড়িয়ার খালে পৃথিবীর বিপন্ন মাস্ক ফিনফুট বা কালোমুখ প্যারা পাখিও দেখা যায়।
হাড়বাড়িয়া খালের পাড়ে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের সোনালি নামফলক। একটু সামনে এগুলেই বন কার্যালয়। এরপরে ছোট খালের উপরে ঝুলন্ত সেতু। সামনের দিকে জঙ্গলের গভীরতা ক্রমশ বেড়েছে। ঝুলন্ত সেতু পেরিয়ে সামান্য সামনে বিশাল এক পুকুর। পুকুরের মাঝে গোলপাতার ছাউনি সমেত একটি বিশ্রামাগার।
ঘরটির চারপাশে বসার জন্য বেঞ্চ পাতা। পুকুরের পাড় থেকে কাঠের তৈরি সেতু গিয়ে ঠেকেছে ঘরটিতে। বন বিভাগের অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওয়ায় ১৯৯৭-৯৮ সালে বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্মরণে খনন করা হয় এই পুকুর।
পুকুরের দুই পাশ থেকে সামনে চলে গেছে ইট বিছানো পথ। অল্প দূরত্বের দুটি পথই শেষ হয়েছে কাঠের তৈরি হাঁটাপথে। যে কোনো একদিক দিয়ে হাঁটা শুরু করলে অন্যপ্রান্তে এসে শেষ হবে এই পথ। তবে হাতের ডান দিকের ইট বিছানো পথের শেষে রয়েছে তিনতলা বিশিষ্ট একটি জঙ্গল পর্যবেক্ষণ বুরুজ। কাঠের তৈরি এই বুরুজের ওপর থেকে জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
তবে সম্প্রতি ভ্রমণে গিয়ে দেখা গেল এই টাওয়ারের ভগ্নদশা। উপরে ওঠাই বিপজ্জনক মনে হল। এখানকার পুরো ট্রেইলটি এক কিলোমিটারের বেশি।
হাড়বাড়িয়ার জায়গাটিতে বাঘের আনাগোনা বেশি। প্রায়ই বাঘের পায়ের তাজা ছাপ দেখা যায়। এছাড়া চিত্রা হরিণ ছাড়াও অন্যান্য বন্য প্রাণীও এখানে দেখা মিলবে।